random header image
মুক্তমনা বাংলা ব্লগে স্বাগতম || যুক্তি আনে চেতনা,চেতনা আনে সমাজ পরিবর্তন || মুক্তমনা লেখকদের সব বই এখন আমাজন ডট কমে পাওয়া যাবে,বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে ||

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের তান্ডব

আজকের সংবাদপত্র নিশ্চয় সবাই দেখেছেন। রক্তের বন্যা বয়ে গেছে রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে। ফারুক হোসেন নামের এক মেধাবী ছাত্র মারা গেছে। আহত হয়েছে আরো পঞ্চাশ জন। কয় দিন আগে মৃত্যুবরণ করা আবু বকরের মতোই ফারুকও খুব  গরীব ঘরের ছাত্র। বেড়ার ঘরে বসবাস তার বাবা মার। কি হচ্ছে এই ক্যাম্পাস গুলোতে? এ রকম ভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্যই কি বাবা মারা তাদের প্রিয় সন্তানকে ইউনিভার্সিটিতে প্রেরণ করেন?  আমি বুঝিও না আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার পরেও শিবিরের দল এরকম সাহস করে কিভাবে?  অবশ্য এইটা বলেই বা কি লাভ? ছাত্রলীগের নিজেদের গ্যাঞ্জামেই তো মারা গেলো আবু বকর। আর আমাদের স্বরাস্ট্রমন্ত্রী তো বলেই দিলেন - এটা কোন ব্যাপার নয়, এরকম ঘটনা ঘটতেই পারে। এখন ফারুকের মৃত্যুও কি সেরকম কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা? সাহারা ম্যাডাম কি বলবেন?

যা হোক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে পত্রিকার কিছু লিঙ্ক পাঠালাম।

শিবিরের বর্বরতা (সমকাল) 

শিবিরের তান্ডবে রক্তাক্ত রাজশাহী (প্রথম আলো)

পেপারে পড়লাম আগের দিন নিজামীর রাজশাহীতে মিটিং করে গিয়েছিলো। মিটিং এ অংশগ্রহণকারীদের একাংশই নাকি এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। তাহলে কি এটা একটা সুদূরপ্রসারী পরিকল্পণার ফসল?  হুমায়ূন আজাদ স্যারের কথা মনে পড়ছে। চাপাতি দিয়ে বইমেলায় কোপানোর আগের দিন দেলোয়ার হসেন সাইদী সংসদে আজাদ স্যারের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছেড়েছিলেন। ব্লাস্ফেমী আইনী তাকে হত্যা করার দাবী তুলেছিলেন। রাজশাহীর ঘটনাও কি তেমন একটা কিছু?

জামাত শিবিরকে মোকাবেলা করার ক্ষমতা কি আমরা হারিয়ে ফেলেছি? যদিও ক্ষমতা কস্মিনকালেও ছিল না বলেই জানি।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে পোস্ট দিলাম। আশা করি মডারেটরেরা এটাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।  মুক্তমনায় এটাই আমার প্রথম পোস্ট।

রাহাত।

পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তমনা কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীদের নিজেদের। এর জন্য মুক্তমনা ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

25 টি মন্তব্য

  1. 1
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ | Link

    রাগ করবো না কি কষ্ট পাবো বুঝতে পারি না এসব দেখলে!!!
    আগুন্তকের খবর জানা দরকার…

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  2. 2
    কেশব অধিকারী
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ | Link

    রাহাত খান,

    আমি দাবী তুলছি, বাংলাদেশে যেকোন ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক, নিষিদ্ধ করা হোক যেকোন ধর্মীয় সংগঠন। নিষিদ্ধ করা হোক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষার প্রচলন। নিষিদ্ধ করাহোক মাদ্রাসা সহ অন্যান্য ঊপাসনালয় ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা।

    যত তারাতারি সম্ভব, করা হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর ফিরিয়ে আনাহোক ৭২-এর সংবিধান।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    মাহবুব সাঈদ মামুন

    মাহবুব সাঈদ মামুন এর জবাব:

    @কেশব অধিকারী,

    আমি,আমরা ও আমাদের তথা পুরো দেশবাসীর সবার এই মুহূর্তে একমাত্র প্রানের দাবী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রূত করা এবং সকল ধর্মীয় সংগঠন নিষিদ্ধ করা। তা নাহলে জাতিকে এক বিরাট অগনিত মাশুল গুনতে হবে যে।আর এ মাশুলের প্রথম স্বীকার কিন্তু হবে আমার দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী,প্রগতিশীল লেখক-লেখীকা,শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবিদের।আপনারা কি্নতু ঠিকই তাদের খুনের লিষ্টে তালিকাভূক্ত হয়ে আছেন ।যেমন ৭১ এ ছিল।তাই সকলকে আহব্বান জানাচ্ছি সবাই এক জোট হয়ে সরকারকে বাধ্য করা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রূত করা এবং সকল ধর্মীয় সংগঠন নিষিদ্ধ করা। এটা আজ সময়ের দাবী এবং পুরো জাতির এক মাত্র দাবী।আর একদিন দেরী হওয়া মানে মেধাবী ফারুক হোসেনের মত এ রকম আরো হাজার হাজার প্রানের অকাল মৃত্যু হওয়া যা একটি পরিবার থেকে শুরু একটি রাষ্ট্রের বা জাতির বিশাল সাগরের গভীরতার মতো গভীর অকল্পনীয় ক্ষতি হওয়া।জাগো বায়ে জাগো,আর যে সময় নাই।সময থাকতে সাধু সাবধান !!

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    রাহাত খান এর জবাব:

    @মাহবুব সাঈদ মামুন এবং কেশব অধিকারী, ধর্ম্ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে এটা নিয়ে দ্বিমত নেই। কিন্তু শুধু জামাত শিবিরকে ব্যান করলেই কি এধরণের হত্যা বন্ধ হবে, তাহলে আবু বকরের হত্যা নিয়ে কি বলবেন?

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    নন্দিনী এর জবাব:

    @কেশব অধিকারী, সহমত । দরকার হলে আন্দোলন গড়ে তুলা হোক সরকারকে বাধ্য করার জন্য । কোনভাবেই যেন আওয়ামী লীগ সরকার এবার আর এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যেতে না পারে ।বিশেষ করে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    আকাশ মালিক এর জবাব:

    @কেশব অধিকারী, মাহবুব সাঈদ মামুন ও নন্দিনী

    বাংলাদেশে যেকোন ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক, নিষিদ্ধ করা হোক যেকোন ধর্মীয় সংগঠন।

    সহমত।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  3. 3
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ৪:০৪ অপরাহ্ণ | Link

    আমার কেন জানি মনে হয় নীতিনির্ধারকদের কাছে জামায়াত-শিবিরের একটা আলাদা utility আছে। আওয়ামী আমলে শিবির দ্বারা লীগ কর্মীর আক্রান্ত হওয়া শুধু দুঃখজনক না, রহস্যজনকও বটে।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    রাহাত খান এর জবাব:

    @পৃথিবী, আমারও তাই ধারণা। জামাতের সাথে বিএনপি তো আছেই, আওয়ামী লীগও প্রয়োজনে আঁতাত করেছে। তাই কাউকেই সমর্থন করার কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি না এই মুহূর্তে।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  4. 4
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ৭:১২ অপরাহ্ণ | Link

    মুক্তমনায় স্বাগতম, এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    কেউ কি আগন্তুকের কোন খবর জানেন?

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  5. 5
    আদিল মাহমুদ
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ৭:৫৬ অপরাহ্ণ | Link

    এ দেশে ছাত্ররাজনীতির সঙ্ঘাতে প্রানহানী বা অংগহানি নুতন কোন খবর নয়।

    তবে শিবিরের এই তান্ডব আলাদা কিছু বিবেচনার দাবী রাখে।

    যেমন; পত্রিকায় যতটুকু পড়েছি তাতে মনে হয়েছে যে সংঘর্ষ আগে থেকে শুরু হলেও যাকে হত্যা করে ম্যানহোলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল ও যাদের রগ কাটা হয়েছিল তাদের উপর এ হামলা বলা যায় অনেকটা পরিকল্পিত ঠাণ্ডা মাথায় হামলা। এটা হঠাত দুদলের মারামারির মাঝে আলটপকা কেউ মারা গেল আহত হল তেমন নয়। টিভি রুমে আশ্রয় নেওয়া ঘুমন্ত ছাত্রদের উপর হামলাকে দুদলের সংঘর্ষে নিহত কোনভাবেই বলা যায় না।

    সবচেয়ে উদ্বেগজনক; শিবিরের আক্রমনে আহতরা বলেছে তারা পাহারারত পুলিশের কাছে হামলার সময় সাহায্য চেয়েও পায়নি। এমনকি পুলিশের পায়ে পড়ার পরেও পুলিশ তাদের ঠেলে শিবিরের কাছে মার খেতে পাঠিয়েছে। এর মানে কি? অথচ রাতেই এই পুলিশদের হল কতৃপক্ষের আহবানে আতংকিত ছেলেদের পাহারার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। হামলাকারী দলে মাত্র ২০/২৫ জন ঘাতক ছিল। পুলিশেরা মাত্র ২০/২৫ জন কে ঠেকাতে পারল না? ছেলেদের উলটা শিবিরের কাছেই ঠেলে দিল?

    আসলে অনেকে যতই আত্মপ্রত্যয়ে ভোগেন যে জামাত শিবির মাত্র অল্প গুটিকয়েক তাদের জন্য এটা চিন্তা করার বিষয়। জামাত শিবির সংখ্যায় কম হলেও তাদের হাত বহু লম্বা। পুলিশ প্রশাসন সহ যাবতীয় গুরত্বপূর্ণ সব যায়গাতেই তাদের প্রভাব সরকারে না থাকা সত্ত্বেও আছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারেও এই অংশ খুবই সক্রিয়।

    জামাত শিবির আওয়ামী লীগের গত টার্মেও চিটাগাং এ ছাত্রলীগের ৭ জনকে প্রকাশ্যে ফিল্মী কায়দায় ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে। তাতে তাদের এমন কিছুই ততকালীন সরকারও করেনি বা করতে পারেনি।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  6. 6
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ৮:২৮ অপরাহ্ণ | Link

    কোন একট বিখ্যাত লেখকের বইয়ে পড়েছিলাম এমন কথা যে সত্যিকারের মহৎ মানুষরা অপরের দুঃখ-কষ্ট দেখতে দেখতে কখনো অভ্যস্থ হয়ে পড়েননা। আজ আমরা এমনই অমানুষ হয়েছি যে দেশের এসব ঘটনায় আমরা অভ্যস্থ হয়ে পড়েছি। কেন এদেশের মানুষগুলো এমন? কেন যা কিছু খারাপ তা আমাদের রক্তে মিশে আছে? কেন আমরা অমানুষ?

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    আদিল মাহমুদ এর জবাব:

    @শাফায়েত,

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি ঢাঃবিঃ তে নিহত আবু বকরের হত্যা নিয়ে একটি উক্তি করে খুবই সমালোচিত হচ্ছেন। “এটা হতেই পারে” জাতীয় কিছু একটা বলেছিলেন।

    কোন মন্ত্রীর কাছ থেকে এহেন বাক্য প্রত্যাশিত না হলেও কথাটায় সত্যতাও আছে অনেকটা। এগুলি আসলে আমাদের দেশের জীবনের বাস্তবতা। কোনদিনই দেশ এগুলি থেকে মুক্ত ছিল না, থাকবে এমন আশাও এখনো অনেক দূরে।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    মুহাইমীন

    মুহাইমীন এর জবাব:

    @শাফায়েত,
    যে দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সম্প্রদায় কেবলই নিজেদের ভোগ বিলাসের কথা চিন্তা করে জীবনটাকে ছকে সাজায় এবং এই ভোগ বিলাসকেই জীবনের লক্ষ্য ও একমাত্র উদ্দেশ্য হিসেবে নিয়ে কাজ করে তাদের মধ্য মনুষ্যত্ব আশা করেন কি করে তা আমি ভেবে পাই না।
    মানুষ যখন ভোগ বিলাসে মত্ত হয় যায় তখন তার চিন্তাশীলতা, জ্ঞান, পরার্থবাদীতা সবই হারিয়ে যায়। সে নিজের ছাড়া অন্যের চিন্তা করতে পারে না। একেই বলা হয়েছে সুম্মুন বুকমুন উময়ুন সম্প্রদায়। আর যারা কেবলই নিজেদের ‘আমিত্ব’ ছাড়া অন্য কিছু কল্পনাও করতে পারে না তাদের কাছ থেকে আপনি এসব ঘটনায় উদ্দেগের বহিঃপ্রকাশ আশা করেন কি করে? এটা তো আর তাদের স্বার্থে আর আঘাত করছে না!!!
    এতে তো আর তাদের চাকরী চলে যাচ্ছে না যে তারা উদ্দেগ প্রকাশ করতে চাইবে।
    আর এই পরিস্থিতি যদি বদলাতে চান তাহলে আমাদের এই ‘ভোগ-বিলাস নিশ্চিতকরণ’ শিক্ষা ব্যবস্থা বদলানোর উদ্দোগ গ্রহণ করি আসুন। আমি আপনার পাশে আছি সবসময়(ঈশ্বর যদি চান)। Rose 2

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    আকাশ মালিক এর জবাব:

    @মুহাইমীন,

    আর এই পরিস্থিতি যদি বদলাতে চান তাহলে আমাদের এই ‘ভোগ-বিলাস নিশ্চিতকরণ’ শিক্ষা ব্যবস্থা বদলানোর উদ্দোগ গ্রহণ করি আসুন। আমি আপনার পাশে আছি সবসময় (ঈশ্বর যদি চান)।

    ঈশ্বর যদি না চান, তাহলে? এই মুহুর্তে আল্লাহর ইচ্ছেটাই বা কী?

    ইউনিভার্সিটিতে এই খুনাখুনীর সময় আল্লাহর ভুমিকাটাই বা কি ছিল?

    ‘ভোগ-বিলাস নিশ্চিতকরণ’ শিক্ষা ব্যবস্থা বলতে কি বোঝাচ্ছেন তা বোধগম্য নয়। কি রকম শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতি বদলাবে মনে করেন?

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    রাহাত খান এর জবাব:

    @মুহাইমীন,আমার তো মনে হয় না, উপর থেকে শিক্ষাব্যাবস্থাটা শুধু বদলানো সম্ভব। এর জন্য আমাদের পঁচে যাওয়া পুরো সিষ্টেমটাই বোধ হয় দায়ী।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  7. 7
    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১০ at ৯:২৯ অপরাহ্ণ | Link

    দৈনিক জনকন্ঠে প্রকাশিত খবরটা উদ্বেগজনক-

    নিজামীসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সফরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজশাহীতে হামলা

    জনকণ্ঠ রিপোর্ট ॥ মতিউর রহমান নিজামীসহ জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা রাজশাহীতে সমাবেশ করে ফিরে আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আঘাত হানল ছাত্র শিবির। শিৰার্থীদের ওপর পৈশাচিক তা-ব চালিয়ে হাত-পায়ের রগ কেটে বীভৎস হত্যাকা-ের মাধ্যমে উগ্র মৌলবাদী শিবির প্রকাশ করল তার আসল রূপ। যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতের এই সংগঠন আবার জানিয়ে দিল, ছাত্র সংগঠনের নামে কার্যক্রম চালালেও শিবির একটি সশস্ত্র ও উগ্রজঙ্গীবাদী সংগঠনের নাম। জনকণ্ঠের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে দেশের শিশু শিৰার সত্মর থেকে শুরম্ন করে উচ্চ শিৰা পর্যনত্ম শিৰার আড়ালে লেবাসধারী এই সংগঠনের উগ্রবাদী চেহারা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ফুলকড়ির আসর থেকে ফোকাস, রেটিনাসহ নিজস্ব কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে কিভাবে শিৰার্থীরা হয়ে ওঠে শিবিরের ভয়ঙ্কর ক্যাডার। কেবল তাই নয় জানা গেছে, আনত্মর্জাতিক অঙ্গনে ‘আইসিএস’ নামে পরিচিত এই সংগঠনের রয়েছে ‘ক্রিজ বা কিরিস বাহিনী’ নামে বিশেষ জঙ্গী বাহিনী। অস্ত্র চালনায় প্রশিৰণপ্রাপ্ত, হাতবোমা বানানো ও নিৰেপে দৰ কর্মী, সদস্য কিংবা সাথীদের নিয়ে গঠিত হয় বিশেষ এই জঙ্গী বাহিনী।

    দেশের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরম্ন করে স্কুলের শিক ও শিার্থীরাও ব্যাপকভাবে শিবিরের কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ার উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া গেছে। জামায়াত ও শিবির নেতারা এখন প্রকাশ্যেই বলছে, দেশের শিৰাঙ্গনে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী সংগঠনের নাম ছাত্র শিবির। জামায়াত আর শিবির খড় কুটা নয় যে বাতাসেই উড়ে যাবে। সমপ্রতি শিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় জামায়াত ও শিবির নেতারা সরকার ও ছাত্রলীগ নেতাদের হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, শিবিরকে ঘাটাবেন না। তাহলে ১০ হাট মাটির নিচে গিয়েও রৰা পাবেন না। স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির। প্রথম থেকেই ধর্মীয় রাজনীতির ভুল আর বিভ্রানত্মিকর ব্যাখ্যার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতাবিরোধী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটি। ১৯৪৭ সালে জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা মওদুদীর নেতৃত্বে যে জামাত-ই-তালেবার জন্ম হয় পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে তা ইসলামী ছাত্র সংঘে রূপ নেয়। জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্র সংঘ প্রত্যভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে। ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় আলবদর বাহিনী। স্বাধীনতার পর ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ ঘোষণা করলে এ ধরনের সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও দেশ স্বাধীন হলে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্যরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর জেনারেল জিয়া মতায় আসলে ইসলামী ছাত্র সংঘ ১৯৭৭ সালের ৪ ফেব্রম্নয়ারি ইসলামী ছাত্রশিবির নামে যাত্রা শুরম্ন করে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের ফাউন্ডিং চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলী এবং পরবর্তীতে কামরম্নজ্জামান ও আব্দুল জলিল আবু নাসের এরা সবাই সক্রিয় আলবদর ছিল। শিৰা কার্যক্রমের আড়ালে বর্তমানেও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জঙ্গী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরা সক্রিয় রয়েছে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাহাঙ্গীর নগর, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বিদায়ের আগে মহাজোটের আন্দোলন ঠেকাতে ছাত্রশিবিরের সশস্ত্র তৎপরতাই সবচেয়ে বেশি ল্য করা গেছে। বর্তমান সরকার মতায় আসার পরও অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির তাদের অবস্থান অটুট রেখেছে। এছাড়াও দেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চল থেকে শুরম্ন করে শহরের স্কুল-কলেজগুলোতেও শিবির নিজস্ব নামে অথবা বিভিন্ন সংগঠনের নামে চালিয়ে যাচ্ছে কার্যক্রম। সরচেয়ে বেশি সক্রিয়তা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদ্রাসাগুলোতে।

    শিবিরের রয়েছে বিশেষ জঙ্গী বাহিনী। এ বাহিনীকে বলা হয় ‘ক্রিস (কিরিস) বাহিনী’। বিশেষভাবে অস্ত্র চালানোয় প্রশিণপ্রাপ্ত এবং হাতবোমা বানানো ও ছোড়ায় পারদর্শী এরা প্রায় সকলেই শিবিরের কর্মী, সদস্য অথরা সাথী। মহাজোট সরকার মতায় আসার পর শিবির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাস ও হলদখলের কাজে ক্রিস বাহিনীকে কাজে লাগাচ্ছে বলে জানা গেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এ বাহিনীর সদস্যরা অপারেশনের কয়েকদিন পূর্বেই ক্যাম্পাসের আশপাশে অবস্থান নেয়। গত মে মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষের পর সোমবার মধ্যরাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও ক্রিস বাহিনীর অংশগ্রহণ ছিল বলে জানা গেছে। শিবিরের অনেক কর্মীর দাবি, একমাত্র এ বাহিনীর কারণেই তারা এখনও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাব বজায় রেখেছে। পল্টনে জামায়াত-শিবিরের ক্রিস বাহিনীর ছিল ব্যাপক তৎপরতা। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের ঢুকতে না দেয়াতে ভূমিকা রাখে শিবিরের বোমা বাহিনী।

    জানা গেছে, শিার্থীদের শিশুকাল থেকেই টার্গেট করে শিবির। আর এ জন্য গঠন করেছে শিশু সংগঠন ‘ফুলকুড়ি আসর’। অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, ফুলকুড়ি আসরে যে সব শিশু প্রবেশ করে পরবর্তীতে তারা ছাত্রশিবিরে যোগ দেয়। শিবিরের সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয় একটি ক্রমানুযায়ী। প্রথম পর্যায়ে একটি শিশুকে পরিচিত করা হয় ফুলকুড়ি আসরের সঙ্গে। ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে উঠলেই তাকে দিয়ে শিবিরের ফরম পূরণ করানো হয়। যখন একটি শিশু শিবিরে প্রবেশ করে তখন সংগঠনের সমর্থক হিসেবে নিবন্ধিত হয়। খোদ রাজধানীর বেশ কয়েকটি প্রথম সারির স্কুলেও কাজ করছে ফুলকুড়ি আসর।

    শিবির সবচেয়ে বেশি কাজ করে স্কুলের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বাংলাদেশ স্কাউট’ এর মধ্যে। এছাড়াও রোভার স্কাউট ও বিএনসিসি কার্যক্রমেও ব্যাপকভাবে সক্রিয় শিবির কর্মীরা। বিগত বছরগুলোতে স্কাউটের শিশুরা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত না হলে ফুলকুড়ি আসরের মাধ্যমে অংশগ্রহণের জন্য দাওয়াত দেয়া হয়। এরপর থেকেই ফুলকুড়ি আসরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ে শিশুরা। শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ইসলামিক বই সরবরাহ করা হয়। সুযোগ বুঝে ষষ্ঠ বা সপ্তম শ্রেণীতে উঠলে শিবিরের ফরম পূরণ করিয়ে নেয়া হয়। শিশুদের মধ্যে ‘নতুন কিশোর কণ্ঠ’ এবং ‘ইয়ুথ ওয়েব’ নামে দুটি মাসিক সম্পাদনা সরবরাহ করা হয়। যা বাংলাদেশ ছাত্রশিবির থেকে বের হয়। স্কুলপর্যায়ে এ সব দায়িত্ব পালন করে শিবিরের কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোহেল খান এবং কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক নজরম্নল ইসলাম।
    শিবিরের পরিচালিত বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টার রয়েছে যা শিার্থীদের অনত্মভর্ুক্তিতে সহায়তা করে। এর মধ্যে এইচএসসি পাসকৃত শিার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য ‘ফোকাস’, মেডিক্যালে ভর্তির জন্য ‘রেটিনা’ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির জন্য ‘কনক্রিট’ সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। দেশব্যাপী শতাধিক শাখা রয়েছে এ তিনটি কোচিংয়ের। যেসব জায়গায় এসব কোচিং রয়েছে সেগুলো স্থানীয় শিবির নেতৃবৃন্দ দ্বারাই পরিচালিত হয়। কোচিং-এ শিকতা এবং অন্যান্য চাকরির মাধ্যমে শিবির কর্মীদের থাকা-খাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় ছাত্রশিবির। বর্তমানে এ কোচিংগুলোর মূল পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আনিসুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি জাকির হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় শিা সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব নেতাকর্মী ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে কোচিং সেন্টারগুলোর সঙ্গে। রেটিনা কোচিংয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে মেডিক্যাল কলেজের এবং কনক্রিটের সঙ্গে জড়িত রয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির কর্মীরা। প্রতি বছর প্রায় এক কোটি টাকার মতো আয় হয় দেশব্যাপী কোচিং সেন্টারগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশকারী এসব শিার্থীকে এভাবেই সংগঠনে ভেড়ায় শিবির।

    অন্যদিকে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যনত্ম চার জোটের সময় শিকদের যে নিয়োগ হয়েছে তার বেশিরভাগই শিবিরের কর্মী বা নেতা। ছাত্রদল বা বিএনপি ঘরানার ছাত্ররাও নিয়োগে ছিল অনেক পিছিয়ে। শিবির ব্যাকগ্রাউন্ডের এসব শিকরা এখন কাজ করছে শিবিরের নেতাকর্মীদের মতোই।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    তানভী

    তানভী এর জবাব:

    @অভিজিৎ,
    ভাইয়া,প্রতিটা বাক্য অক্ষরে অক্ষরে সত্য, তারা যেভাবে ছেলে পেলেদের দলে টানে তা এক অবিশ্বাস্য ব্যপার।

    রাজশাহীর এই ঘটনার যতই নেগেটিভ দিক থাকুক, একটা খুব বড় পজেটিভ দিকও আছে (জানি এ কথা লেখার পড় আমাকে অনেক গুলো কথা শুনতে হবে, তবুও ব্যপারটা সত্যি)। সেটা হল, দেশের কচি কচি ছেলেমেয়েদের গত পাচ বছরে প্রায় ভুলিয়েই দেয়া হয়েছিল যে শিবিরের কর্মিরা “রগ কাটা শিবির” নামে পরিচিত। আমার কয়েকজন স্কুলের বন্ধু আছে, যাদের শিবিরের কুকর্মের কথা বললে তারা বলত এটা মিথ্য ছড়ানো হয়েছে। শিবির অনেক ছেলেপিলের কাছে ধোয়া তুলসী পাতা । এখন অন্তত এই ঘটনার পর সব বুদ্ধি সম্পন্ন ছেলে পিলেরা বুঝে যাবে যে জামাত-শিবির কি জিনিস।

    সচলায়তনে জামাত-শিবিরের কুকির্তী নিয়ে বেশ কিছু দারুন দারুন লেখা আছে। এখানেও আমরা যে যা জানি সব লিখে যদি ওই নর পশুদের আগের ও বর্তমানের ভয়াবহতা তুলে দেয়া যায়, তবে সেটা একটা ভালো কাজ হবে।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    আদিল মাহমুদ এর জবাব:

    @তানভী,

    আসলেই তাই। দূঃখজনক হলেও সত্য যে এ দেশের অনেকে, এমনকি নুতন প্রজন্মের ছেলেপিলেও জামাত শিবিরকে খুব পজিটিভ শক্তি হিসেবে দেখে। এমন কি এমন যুক্তিও শুনেছি যে গত তক্তাবধয়ক সরকারের আমলে দূর্ণীতিবাজ, চাদাবাজ হিসেবে বড় দুই দলেরই লোকে ধরা পড়লেও জামাতের তেমন লোকজন ধরা পড়েনি, পত্রপত্রিকায়ও সেভাবে আসেনি।

    কাজেই জামাতই সত লোকের শাসন আনতে পারে।

    আপনাদের কি মনে হয়? আমি তো এ যুক্তির বিরুদ্ধে জামাত কখনো এককভাবে ক্ষমতায় যায়নি, গেলে আসল চেহারা দেখা যাবে ছাড়া বলার মত তেমন কিছু পাই না।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    তানভী

    তানভী এর জবাব:

    @আদিল মাহমুদ,
    আসলে সমস্যা হয়ে গেছে যে, তাদের কখনোই টাকার অভাব হবে না। এই জন্য তারা তাদের কর্মীদের পুষতে পারে,তাই দূর্নীতিরও দরকার পরে না। তবে এই ঘটনা আর আগের অনেক ঘটনায় তাদের আসল রূপ বের হয়ে আসে। তারা ভোল পাল্টাতে পারলেও তাদের ফ্যানাটিসিজম বন্ধ হবে না, এইটা তাদের রক্তে ঢুকে গেছে। আর এইটাই তাদেরকে ক্ষমতা থেকে অনেক দূরে রাখবে।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    আদিল মাহমুদ এর জবাব:

    @তানভী,

    ফ্যানাটিসিজম কিছুটা ভিন্ন ব্যাপার।

    জামাত গত টার্মে সরকারে থাকলেও তাদের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে কিন্তু সেভাবে বিএনপির মত দূর্ণাম নেই। স্বীকার করতেই হবে যে তারা কৃতিত্ত্ব দাবী করতেই পারে। জানি না এর ব্যাখ্যা আর কি হতে পারে।

    আর জামাত শিবির বা তাদের কর্মীদের পয়সা দিয়ে পোষে বলে মনে হয় না।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    তানভী

    তানভী এর জবাব:

    @আদিল মাহমুদ,
    পয়সা দিয়েও পোষে, আবার মানসিক পরিবর্তন করেও পোষে (পেটে ভাত না থাকলে হুদাই কেউ কোপাকুপি করতে যায় না।) আর দূর্নাম থাকলেও হয়তো তাদের লম্বা হাতের কারনে শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    FZ এর জবাব:

    @তানভী,

    একেবারেই যে জামাতীরা দূর্ণীতিবাজ হিসেবে ধরা পরেনি, তা নয়। অন্তত ২-৩ জন এম,পি কিন্তু ত্রানের টিন আত্মসাত্ করতে গিয়ে ধরা পরেছিল। ২০০৭ এর প্রথম দিকের খবরের কাগজ ঘাটলে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু আমাদের তত্তাবধায়ক সরকার কেন জানি জামাতের ব্যপারে বেশ lenient ছিলেন। আর বি এন পির দূর্ণীতির তুলনায় তুচ্ছ বলেই হয়ত খবরের কাগজগুলো এ ব্যপারে উচ্চবাচ্য করেনি।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

    আতিক রাঢ়ী

    আতিক রাঢ়ী এর জবাব:

    @আদিল মাহমুদ,

    >>আর জামাত শিবির বা তাদের কর্মীদের পয়সা দিয়ে পোষে বলে মনে হয় না।<<

    ওরা নিজেদের শক্তি ও দূর্বলতা গুলো জানে। মানে যথেষ্ট বাস্তব বু্দ্ধি সম্পন্ন। আর যথেষ্ট সংগঠিতও। নীজেদের কর্মীদেরকে অর্থনৈ্তিক ভাবে সুসংগঠিত করারা ব্যাপারে খুবই তৎপর তারা। যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরিতে ঢুকিয়ে দেয়ার একটা সুজোগও তারা হাত ছাড়া করেনা।
    দলীয় করনের দিকথেকে তারাই সবচেয়ে এগিয়ে। সেটা ছাত্র ভর্তি থেক শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের সব স্তরে। ছাত্রদল আর ছাত্রলীগ অবক্ষয়ের যে প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে তাতে শিবিরকে মোকাবেলার নৈ্তিক শক্তিই তাদের মাঝে অবশিষ্ট থাকছেনা। শিবিরকে মোকাবেলা করতে বরাবরই সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করতে হয়। তবে আমার ব্যাক্তিগত মত হচ্ছে এখনো কেবল মাত্র ছাত্রলীগের পক্ষেই সম্ভব শিবিরকে মোকাবেলা করা। আর বি,এন,পি তথা ছাত্রদলতো চোখের সামনে অতি দ্রুত গতিতে জামাতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে জামত আরো শক্তশালী হয়ে উঠছে।

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  8. 8
    ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১০ at ৩:০৭ পূর্বাহ্ণ | Link

    কী বলবো জানি না ……..

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

  9. 9
    লাইজু নাহার লাইজু নাহার
    ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১০ at ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ | Link

    ‘মতিহার সবুজ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
    আমার স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় অঙ্গন!
    এভাবে রক্তাক্ত হচ্ছে বারবার!
    ভাবতে অবাক লাগে এ অঙ্গনে কবিতার আসর বসাতেন,আমার পরলোকে যাওয়া সহপাঠি
    নাসিমা কপালে সিঁদুর দিয়ে কবিতা আবৃত্তি করতো।আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্যার ক্যামেরা নিয়ে ছোটাছুটি করতেন।আমরা ফিল্ম দেখতাম’Neither the sea,Nor the sand’.
    কেন সবকিছু এভাবে নষ্টদের হাতে চলে গেল?
    কেন যেতে দেয়া হল?এসব কাদের চক্রান্ত?
    বাংলাদেশের সুশীল বু্দ্ধিজীবিদের কাছে প্রশ্ন?আপনারা কি করছেন?কিভাবে এসব ঘটতে দিচ্ছেন?
    কেন শাসকরা যুগে যুগে এসব ঘটার সুযোগ করে দিয়েছে?
    আসলে আমাদের এখন জেগে ওঠার সময়।বন্ধ হোক ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি।
    বাংলাদেশে বন্ধ হোক ধর্ম নিয়ে রাজনীতি!

    আপনার রেটিং? Thumb up 0 Thumb down 0

    [[মন্তব্যটির জবাব দিন]]

পৃষ্ঠার উপরে ফিরে যান

প্রবন্ধটি নিয়ে আপনার অভিমত জানান

মুক্তমনা ব্লগ সদস্যরা কমেন্ট করার আগে লগ-ইন করে নিন।

*
*

মন্তব্য করার জন্য ভ্র ডাউনলোড করে নিন অথবা নীচের যে কোন একটি বাংলা কীবোর্ড লেআউট ব্যবহার করুন

মাউস ক্লিকে স্মাইলি বসান

SmileGrinLaughLOLFrownCryWinkKissRazzAngryAngry 2ConfusedThinkingCoolLotpotHeartBroken HeartRoseDead RoseCakeCoffeeCigarettePdfRose 2HahaheeClap 2GuliGuruYesNo

কমেন্টে ছবি পেস্ট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ইউটিউব থেকে ভিডিও সংযোগের জন্য  ভিডিওর URL কপি করুন এবং লিঙ্কটি পোস্ট করার সময় http://  র বদলে httpv:// লিখুন ( 'v' characterটি লক্ষ্য করুন।)